শেরপুরের মাটি ও জলবায়ুর অনন্য দান: বাংলাদেশের স্বীকৃত ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য
শেরপুর জেলার ঐতিহ্যবাহী সুগন্ধি তুলশীমালা চাল এখন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এর ক্ষুদ্র দানা, তুষারশুভ্র রঙ এবং অতুলনীয় সুগন্ধ একে অন্য যেকোনো চাল থেকে আলাদা করেছে। এটি শুধুমাত্র শেরপুরের নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত হয়।
"তুলশীমালা চালকে শেরপুরের 'ব্র্যান্ডিং' হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এটি এখন উৎসবে ও আতিথেয়তায় আভিজাত্যের প্রতীক।"
রান্নার পর দানাগুলো চমৎকার ছোট ও ঝরঝরে থাকে। এর ঘ্রাণ চারপাশ মৌ মৌ করে তোলে।
শেরপুরের কৃষকরা রাসায়নিকমুক্ত উপায়ে এই ধান চাষ করেন, যা আপনার পরিবারের জন্য শতভাগ নিরাপদ।
পোলাও, বিরিয়ানি, ফিরনি, পায়েস কিংবা ক্ষীরের জন্য এই চালই সেরা পছন্দ।
ব্রিটিশ আমলে জমিদারদের আতিথিয়েতায় তুলশীমালা চালের কদর ছিল আকাশচুম্বী। কথিত আছে, বিদায় নেওয়ার সময় উপহার হিসেবে বিশেষ মেহমানদের গাড়িতে এই চাল তুলে দেওয়া হতো। এই উপহার প্রথা শেরপুরে আজও অব্যাহত। মেয়ে-জামাই কিংবা নাতি-নাতনিদের বাড়িতে নতুন চালের পিঠা-পায়েস পাঠানো শেরপুরের সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তুলশীমালা চাল শুধু খাদ্য নয়, এটি শেরপুরের মানুষের আবেগ, ঐতিহ্য এবং আতিথেয়তার প্রতীক। বাংলাদেশের জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে শেরপুরের তুলশীমালা ধান। ফলে এই চালের মান নিয়ে কোন প্রশ্ন রাখার অবকাশ নেই